badbd নিবন্ধন সম্পর্কে যা জানা দরকার
badbd-তে নিবন্ধন একটা একদম সহজ প্রক্রিয়া। বাংলাদেশে বসে মোবাইল দিয়ে মাত্র কয়েক মিনিটে পুরো প্রক্রিয়া শেষ করা যায়। তবে নিবন্ধনের আগে কিছু বিষয় জেনে নিলে পরে ঝামেলা কম হয়।
সত্যিকারের তথ্য দেওয়া কেন জরুরি
badbd-তে নিবন্ধনের সময় অনেকে ভুয়া নাম বা জন্মতারিখ দিতে চান। এটা করলে স্বল্প মেয়াদে হয়তো অ্যাকাউন্ট খুলে যাবে, কিন্তু পরে উইথড্রের সময় KYC যাচাইতে আটকে যাবেন। badbd-র নিয়ম অনুযায়ী বড় উইথড্রের আগে জাতীয় পরিচয়পত্র মিলিয়ে দেখা হয়। নিবন্ধনের তথ্য আর এনআইডির তথ্য না মিললে উইথড্র আটকে যায়। তাই শুরু থেকেই সত্যিকারের তথ্য দিন।
একটু মনে রাখার বিষয় — প্রতিটি ব্যক্তির জন্য শুধুমাত্র একটি badbd অ্যাকাউন্ট অনুমোদিত। একই ফোন নম্বর বা ইমেইল দিয়ে দ্বিতীয় অ্যাকাউন্ট খোলার চেষ্টা করলে উভয় অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি আছে।
পাসওয়ার্ড কীভাবে শক্তিশালী করবেন
badbd অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড শক্তিশালী হওয়া উচিত। "123456" বা "password" জাতীয় পাসওয়ার্ড এড়িয়ে চলুন। একটা ভালো পাসওয়ার্ডে থাকবে — ন্যূনতম ৮টি অক্ষর, বড় হাতের ও ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্ন (@, #, $ ইত্যাদি)। একই পাসওয়ার্ড একাধিক সাইটে ব্যবহার করবেন না।
নিবন্ধনের পর প্রথম কাজ কী
নিবন্ধন সফল হলে প্রথমেই ইমেইল যাচাই করুন। তারপর মোবাইল নম্বর যাচাই সম্পন্ন করুন — এটা না করলে উইথড্র করা যাবে না। এরপর প্রথম ডিপোজিট করুন এবং স্বাগত বোনাস দাবি করুন। বোনাসের শর্তাবলী আগে পড়ে নিন যাতে পরে কোনো বিভ্রান্তি না হয়।
রেফারেল কোড থাকলে কী করবেন
কোনো বন্ধুর কাছ থেকে badbd রেফারেল কোড পেয়ে থাকলে নিবন্ধনের সময় তৃতীয় ধাপে সেটা দিন। রেফারেল কোড দিয়ে নিবন্ধন করলে আপনি অতিরিক্ত বোনাস পেতে পারেন এবং যে বন্ধু রেফার করেছে সেও পুরষ্কার পাবে। তবে কোড না থাকলেও স্বাগত বোনাস পাবেন — এটা কোডের উপর নির্ভর করে না।